আইসিটি ল্যাব থাকার পরও বাঁশখালী উপকূলীয় ডিগ্রী কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা ক্লাস করার সুযোগ পাচ্ছে না

209

গাজী গোফরান, চট্টগ্রাম

আইসিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে তালা, ক্লাস থেকে বঞ্চিত বাঁশখালী উপকূলীয় ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বাঁশখালী উপকূলীয় ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থীরা আইসিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইসিটি ল্যাবে ক্লাস করতে পারছেন না, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া কলেজ টিতে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা এক হাজারের ও বেশী। ত্রিশটি কম্পিউটার নিয়ে বৃহৎ একটি ল্যাব থাকার পরেও ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস বঞ্চিত। এই এক হাজারেরও বেশী শিক্ষার্থী আইসিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইসিটি ল্যাবে ক্লাস করতে পারেন নি এবং আইসিট ল্যাব চোখে দেখেন নি।
জানা যায় কলেজের প্রিন্সিপাল আইসিটি ল্যাব রুমে তালা মেরে রেখেছেন আইসিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকে। শিক্ষার্থীরা ল্যাবে ক্লাস করার সুযোগ চেয়ে প্রতিবাদ করলে ঐ সময় তিনি বলেছেন স্থায়ী আইসিটি শিক্ষক না থাকায় তালা মেরে রাখা হয়েছে।

তখনই কিন্তু একজন আইসিটি অতিথি প্রভাষক ছিলেন তবুও আইসিটি ল্যাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।বর্তমানে সরকারীভাবে নিয়োগ পাওয়া স্থায়ী একজন আইসিটি শিক্ষক থাকার পরে কেন ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস করতে পারছেন না তা বোধগাম্য নয়। এ বিষয়ে সরেজমিন কলেজে গিয়ে উক্ত কলেজের প্রিন্সিপাল জাকির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে একবার বলেন এখনো আমাদের এইখানে ল্যাব চালু হয়নি আবার বলেন চালু হয়েছে মাঝেমধ্যে ক্লাস হয় এবং উক্ত ভবনে বৈদ্যুতিক প্রবলেমের কারণে ক্লাস নিতে পারছিনা।

এই বিষয়ে ক্লাস বঞ্চিত একাধিক শিক্ষার্থীরা জানায় অফিসে গিয়ে আমরা অনেকবার রিকোয়েস্ট করেছি প্রিন্সিপাল স্যারের কাছে, আমাদেরকে বিভিন্নরকমের অযুহাত দেখিয়ে বকাবকি করে অফিস থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। এবং এই বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইশতিয়াক আহমেদ’র কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি বিষয়টি আসলে কি,কেন ল্যাব থাকা শর্তেও শিক্ষার্থীদের ক্লাস করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছেনা এবং আমি অফিস চলাকালীন সরেজমিনে দেখে প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিবো।

আস/এসআইসু

Facebook Comments