আবার চাঞ্চল্য ফিরছে ঢাকায়

18

৭১ কণ্ঠ ডেস্ক

ঈদুল আজহার ছুটিতে যারা বাইরে গেছে, তাদের বড় অংশই ঢাকায় ফিরেছে। ফলে আবার সেই চাঞ্চল্য ফিরছে ঢাকার।

গতকাল শনিবারও ফিরতি পথে ট্রেনে বিলম্ব ছিল। কষ্টের মধ্যে টিকিট জোগাড় করে ভিড় ঠেলে উঠতে হয়েছে বাসে বা ট্রেনে। মহাসড়কে যানজট না থাকলেও ঘাটে ঘাটে গাড়ির জট ছিল। মহাসড়কে ছিল দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ভয়।

গতকাল সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে গেলে দেখা যায়, সকাল থেকেই মানুষজন মালপত্র নিয়ে রেলস্টেশন ছাড়ছে।

খুলনা থেকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে আসা যাত্রী শুকুর আলী বলেন, ‘সুন্দরবন ট্রেন লোকাল ট্রেনের মতোই ধীরে এসেছে। রবিবার থেকে অফিসে যোগ দেব। তাই আগের দিন এসে পড়লাম।’ তিনি জানান, ঈদের আগের দিন রবিবার বাস ও ট্রেনের টিকিট না পেয়ে ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে প্রাইভেট কারে রওনা দিয়ে খুলনা গিয়েছিলেন।

রংপুর থেকে আসা রফিকুল হক বলেন, টাঙ্গাইলের স্থানে স্থানে আট ঘণ্টা কাটাতে হয়েছে রংপুর যাওয়ার সময়। এবার দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে সেই অবরুদ্ধ অবস্থায় ফিরতে হয়নি।

আগের দিন রাত ১২টায় প্রাইভেট কারে করে যশোর থেকে রওনা দিয়ে গতকাল ভোরে ঢাকার কল্যাণপুরে পৌঁছান আজহার আলী। তিনি বলেন, গাড়ির জট ফেরার পথে কম ছিল।

এসি বাসে করে বরিশাল থেকে ঢাকার গাবতলীতে আসতে ১০ ঘণ্টা লেগেছে জানিয়ে নয়ন ইসলাম বলেন, দৌলতদিয়া ঘাটেই আড়াই ঘণ্টা লেগেছে।

যারা ভোগান্তি সয়ে ঈদ করতে বাড়ি গিয়েছিল, তারা ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। অনেকেই গত মঙ্গলবার আগেভাগেই ফিরেছে। এবার ঈদে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটিসহ পাঁচদিন ছুটি কাটিয়েছে সরকারি চাকজীবীরা। অনেকে বুধবার ছুটি নিয়ে অতিরিক্ত ছুটি উপভোগ করেছে। কারণ পরদিন বৃহস্পতিবার ছিল জাতীয় শোক দিবসের ছুটি। এরপর দুই দিন শুক্র ও শনিবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে আজ রবিবার কর্মস্থলে বেশির ভাগ কর্মচারী যোগ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উত্তরের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী চারটি ট্রেন নীলসাগর, দ্রুতযান, একতা ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস গতকাল দেরিতে ঢাকায় পৌঁছে।

Facebook Comments