উল্লাপাড়ায় নিহত বর-কনেসহ ১১ জনের দাফন

225

আলোকিত সকাল ডেস্ক

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেন ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত বর-কনেসহ ১১ জনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টা থেকে বাদ জোহর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ পৌর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ, রামগাতি, কালিয়া, হরিপুর, সয়াধানগড়া, দিয়ার ধানগড়া ঈদগাহ ও এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের ঘাটিনা ঈদগাহ মাঠ এবং রায়গঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণদিয়ার গ্রামে পৃথক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজায় আশপাশের গ্রামের শত শত মানুষ অংশ নেন। শেষবারের মতো মৃতদেহগুলো দেখতে বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ ছুটে এসে ভিড় জমায়। পৃথক সাতটি জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। চোখের পানি ঠেকাতে পারছেন না দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত নারী-পুরুষ। সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা নেই কারও কাছেই।

জানাজা শেষে উত্তর কান্দাপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে বর রাজন শেখ (২২), বরের মামাতো ভাই শিশু আলিফ বায়েজিদ (৮), চুনিয়াহাটির (কাজীপাড়া) মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ভাষা সেখকে (৫৫) কালিয়া হরিপুর করবস্থান; বরযাত্রী শহরের রামগাতি মহল্লার আব্দুল মতির ছেলে আব্দুস সামাদ (৫০), তার ছেলে শাকিল (২০), সয়াধানগড়া মহল্লার সুরুত আলীর ছেলে হেলপার আব্দুল আহাদ সুজন (২১), দিয়ারধানগড়া মহল্লার আলতাফ হোসেনের ছেলে শরীফুল ইসলামকে (২৬) পৌর এলাকার মালশাপাড়া কবরস্থান; চালক স্বাধীনকে (৪৫) পৌর এলাকার রহমতগঞ্জ কবরস্থান; রায়গঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণদিয়ার গ্রামের আলম শেখের ছেলে খোকনকে (৩৫) কৃষ্ণদিয়ার পারিবারিক কবরস্থান এবং উল্লাপাড়া পৌর এলাকার এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত গফুর সেখের মেয়ে নববিবাহিত সুমাইয়া খাতুন (১৮) ও তার ভাবি আশরাফ আলীর স্ত্রী মমতা বেগমকে (৩৫) এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের ঘাটিনা কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

পৃথক অনুষ্ঠিত জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন উল্লাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী শফিকুল ইসলাম শফি, পৌর কাউন্সিলর ময়নুল হক, কালিয়া হরিপুর ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর, সিরাজগঞ্জ জেলা ট্রাক ট্যাংক লরি মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ডাব্লিউ সেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সোহাগসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ।

আস/এসআইসু

Facebook Comments