কালকিনিতে তিনটি কলেজে একাদশ’ শ্রেনীতে ভর্তিতে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ!

307

রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরের কালকিনি সরকারী শেখ হাসিনা একাডেমী আ্যন্ড উইমেন্স বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ,শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয় কলেজ,কালকিনি ডিকে আইডিয়াল আতাহার আলী স্কুল আ্যন্ড কলেজে একাদশ শ্রেনী ভর্তিতে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।একাধিক শিক্ষার্থীদের অভিযোগ বোর্ডের নীতিমালা না মেনে কলেজ কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ফি আদায় করেছেন।জানাগেছে,শিক্ষা মস্ত্রনালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি মফস্বল/পৌর এলাকায় এক হাজার টাকার বেশী আদায় করা যাবেনা,উল্লেখ রয়েছে।

কালকিনি ডাসার শেখ হাসিনা একাডেমী আ্যন্ড উইমেন্স বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ৬শত ছাত্রীর কাছ থেকে ভর্তি ফি ২হাজার ৭শত বিশ টাকা,ড্রেস বাবদ ১হাজার ৪ শত টাকা,ছাত্রী নিবাশ ভর্তি ৩ শত পঞ্চাশ টাকা নেওয়া হয়েছে।এ ব্যাপারে সরকারী শেখ হাসিনা একাডেমী আ্যান্ড উইমেন্স বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ জাকিয়া সুলতানার সাথে আলাপ করলে তিনি জানান, মাদারীপর জেলা প্রশাসক আমাদের কলেজের সভাপতি তার সাথে যোগাযোগ করে এবং শিক্ষা বোর্ডের নিতীমালা অনুযায়ী আমরা ছাত্রীদের কাছ থেকে এ টাকা নিয়েছি। অন্যদিকে শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয় কলেজে ৬ শত ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে মানবিক ও বানিজ্য বিভাগে ভর্তি ফি নেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৯ শত টাকা এবং বিজ্ঞান বিভাগে ৩হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ দূর্লভান্দ বাড়ৈ সত্যতা স্বীকার করে বলেন নীতিমালা অনুযায়ী ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে বিজ্ঞানে ৩হাজার এবং মানবিক ও বানিজ্যে বিভাগে ২হাজার ৯ শত টাকা নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। এবং ডিকে আইডিয়াল আতাহার আলী একাডেমী আ্যান্ড কলেজে ৩শ ৮০ জন ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে ভর্তি ফি বাবদ নেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৯ শত টাকা।এ ব্যাপারে ডিকে আইডিয়াল আতাহার আলী একাডেমী আ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দা মমতাজ বেগম বলেন অন্য কলেজ থেকে আমরা অনেক কম টাকা নিয়েছি,তবে কলেজে মিলাদ সেশন ফি অন্যান্য বাবদ ১হাজার ৯ শত টাকা করে নিয়েছি।এ দিকে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ১ হাজার ১৬ জন ছাত্র/ছাত্রীদের ভর্তির জন্য মাত্র ১ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ হাসান সিরাজী বলেন আমরা বোর্ডের নির্দেশ অনুযায়ী ১ হাজার টাকা ভর্তি ফি নিয়েছি।এ ব্যাপারে ন্থানীয় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন,আমি শুনেছি নিতী মালার বাইরে কলেজে অতিরিক্ত ফি আদায়ের এখতিয়ার নেই নিয়ে থাকলে জেলা প্রশাসক ম‌হোদয় বিষয়টি আমাকে খোজ নিয়ে দেখতে বলেছেন।প্রমান পেলে সরকারের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

আস/এসআইসু

Facebook Comments