কয়রায় লবণ পানি উত্তোলনে হুমকির মুখে পাউবোর বেড়িবাঁধ

207

আলোকিত সকাল ডেস্ক

কয়রায় পাউবোর বেড়িবাঁধে অবৈধভাবে পাইপ বসিয়ে লবণ পানি উত্তোলন অব্যাহত থাকায় হুমকির মুখে পড়েছে বেড়িবাঁধ। যেকোনো মুহূর্তে বাঁধ ভেঙে ওই এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত বছরের শুরুতেই অনেকটা ঢাকঢোল পিটিয়ে বাঁধে বসানো অবৈধ পাইপ অপসারণের কাজে নেমেছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড। এজন্য চিংড়ি চাষিদের সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তাতে সাড়া না দেওয়ায় সর্বশেষ তালিকা তৈরি করে অবৈধ পাইপ অপসারণের জন্য এসব চিংড়ি চাষিদের নামে নোটিশ জারি করা হয়। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বা পাউবোর মহাপরিচালকের দাপ্তরিক আদেশ মোতাবেক সাতক্ষীরা পওর বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর স্বাক্ষরিত এ নোটিশ দেওয়া হলেও কেউ সে নির্দেশ অনুসরণ করেনি। বরং পাউবোর নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রতিনিয়তই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধের তলদেশ ছিদ্র করে পাইপ বসিয়ে নদী থেকে পানি উত্তোলনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে নতুন করে কয়রা উপজেলা আবার প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৩/১৪-১ ও ১৩/১৪-২ নম্বর পোল্ডারে কয়রা উপজেলায় নির্মিত পবনা ক্লোজার, লোকা, মঠবাড়ি, শিকারী বাড়ি ক্লোজার, নয়ানি সুইচ গেট সংলগ্ন, কাটকাটা, গাজীপাড়া, কয়র সদরের অনেক জায়গা, জোড়শিং, আংটিহারা, গোলখালি এলাকার চিংড়ি চাষিরা বহাল তবিয়তে বাঁধ কেটে অথবা ছিদ্র করে পাইপ বসিয়ে এখনো নদীর পানি উত্তোলন করে চলেছেন।

পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী সেলিম আহমেদ বলেন, প্রাথমিকভাবে সকলকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। পরে নোটিশ করা হয়। তিনি বলেন, নোটিশের পর অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধে মাটি দিয়েছে বলে জেনেছি। তবে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে এসব অবৈধ পাইপ অপসারণ করা হবে। এতে কাজ না হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।

আস/এসআইসু

Facebook Comments