ঘুম না আসলে করণীয়

336

আলোকিত সকাল ডেস্ক

কম ঘুমানোর মতোই বেশি ঘুমানোটাও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিকঠাক রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। তবে অনেকেরই রাতে ঘুম আসে না।

ভালো ঘুম না হলে সেটা শরীর ও মনকে নেতিবাচক প্রভাবিত করতে পারে। এবং তার প্রভাব পরের দিনের কাজের উপর পড়বে। তাই রাতে শান্তি মতো ঘুমানোটা খুবই দরকার।

সঠিকভাবে ঘুমানোর ভঙ্গি বেছে নিন: পিঠের উপর ভর দিয়ে ঘুমানো অর্থাৎ চিৎ হয়ে ঘুমানো অনিদ্রা মোকাবিলা করার সেরা উপায়গুলির মধ্যে অন্যতম। কারণ এটি আপনার মাথা, ঘাড় ও মেরুদন্ডকে নিরপেক্ষ অবস্থানে বিশ্রাম দেয়৷ যদিও ঘুমানোর এই অবস্থানটি জনপ্রিয় না। তবে বিশেষঞ্জরা নিশ্চিত করেছেন এটি ভালো ঘুমের জন্য সর্বোত্তম পছন্দগুলির মধ্যে একটি।

এক পাশ ফিরে ঘুমানোর অবস্থানের ফলে শ্বাস প্রশ্বাস সীমিত হতে পারে। ফলে সকালে উঠে আপনি মেরুদন্ডে ব্যাথা অনুভব করতে পারেন৷ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৪১ শতাংশ হাঁটু ভাজ করে পাশ ফিরে ঘুমানোটা পছন্দ করে। যদিও এই অবস্থানটি গর্ভবতী মহিলাদের জন্য উপকারীতা বলা হয়৷ কিন্তু অন্যদের পক্ষে ঘুমানোর এই অবস্থান খুব একটা ভালো নয়।

ভালো ও শান্তিতে ঘুমানোর জন্য সবথেকে খারাপ অবস্থান পেটের উপর ভর দিয়ে ঘুমানো অর্থাৎ উপুর হয়ে ঘুমনো। এইভাবে ঘুমালে মেরুদন্ড সোজা রাখা কঠিন৷ যা আপনার মেরুদন্ড এবং ঘাড় ব্যাথা করে দেয়।

পুরনো ম্যাট্রেস ফেলে দিন: এই খারাপ ম্যাট্রেসের কারণেও আপনার ঘুমের সমস্যা হতে পারে। বিষেজ্ঞদের মতে, একটি ম্যাট্রেস সাত বছরের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়৷ কারণ সাত বছের বেশ হয়ে গেলে সেটি আপনার শরীরকে সঠিকভাবে সাপোর্ট দিচ্ছে কিনা তা একবার পরীক্ষা করে দেখে নেবেন।

বাজারে অনেক ধরণের ম্যাট্রেস আছে। কিন্তু আপনার শরীরের আকৃতি, স্বাস্থ্য সমস্যা এবং আপনার বাজেটের উপর নির্ভর করেই সেরা ম্যাট্রেসটা কেনার চেষ্টা করবেন।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে লেখালেখির অভ্যাস: ঘুমাতে যাওয়ার আগে সারাদিন আপনার সঙ্গে যে সমস্ত ইতিবাচক ঘটনা ঘটেছে সেগুলি লেখার জন্য নিজেকে ১৫ মিনিট সময় দিন। এই কৌশলটি আপনাকে ভালো জিনিসগুলিকে মনোনিবেশ করতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি আপনার চাপ এবং উদ্বেগ কমাতেও সহায়তা করবে। ফলে আপনি শান্তিমতো ঘুমাতে পরবেন।

দুপুরের ঘুমটা হালকা করুন: দুপুরে অতিরিক্ত ঘুম আপনার রাতের ঘুম নষ্ট করতে পারে। তাই চেষ্টা করুন দুপুরে না ঘুমানোর। যদি একান্তই না পারেন তাহলে হলকা ঘুমান।

আস/এসআইসু

Facebook Comments