টানা বর্ষণে বিপাকে রোহিঙ্গারা, ক্ষতিগ্রস্ত ৩ হাজার ঘর

159

আলোকিত সকাল ডেস্ক

রাখাইনে জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নাগরিকরা টানা পাঁচদিনের বৃষ্টি এবং ঝড়ো হাওয়ার কারণে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় সঙ্কটে পড়েছে।

উখিয়া ও টেকনাফের শরণার্থী ক্যাম্পে প্রায় তিন হাজার রোহিঙ্গা তাদের আশ্রয়স্থল হারিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ঘর। নিহত হয়েছেন শিশুসহ দুই জন রোহিঙ্গা।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) এক ইমেইল বার্তায় এসব তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম। ক্যাম্প জুড়ে কর্মরত আইওএম’র কর্মকর্তা এবং স্বেচ্ছাসেবকেরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরেজমিনে গিয়ে এ ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করেন বলে বার্তায় জানানো হয়েছে।

এদিকে আইওএম ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্প জুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত আবাসস্থলগুলো মেরামত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জরুরি আশ্রয়স্থলে নিতে কাজ করে যাচ্ছে। আইওএম’র মুখপাত্র জর্জ ম্যাকলয়েড বলেছেন, বর্ষাকালের মাত্র অর্ধেক সময় পার হয়েছে। এরই মধ্যে গত ৭২ ঘণ্টায় আমরা দুই হাজার মানুষকে সহায়তা করেছি। আমাদের সব সদস্য সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

ইতোমধ্যেই ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিমাণ ২০১৮ সালের ক্ষয়ক্ষতির থেকেও বেশি হয়েছে বলে উল্লেখ করে আইওএম এর এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ৩ থেকে ৫ জুলাই, এই তিনদিনে সবচেয়ে বড় কুতুপালং মেঘা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৫১০ মিলিমিটার। আরেকটি বড় ক্যাম্প- ‘ক্যাম্প ১৬’তে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৫৩০ মিলিমিটার।

এদিকে ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের তুমব্রু সীমান্তের কোনারপাড়া নো-ম্যানস ল্যান্ডে আশ্রিত রোহিঙ্গা শিবির পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছে এখানে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১ হাজার ৩০০ রোহিঙ্গা পরিবারের পাঁচ হাজারের বেশি নারী-পুরুষ ও শিশু। দেখা দিয়েছে খাবার ও পানি সঙ্কট।

তুমব্রু শূন্যরেখা রোহিঙ্গা শিবিরের চেয়ারম্যান দিল মোহাম্মদ বলেন, “প্রবল বৃষ্টির পানির সাথে পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় এখানকার শিবিরটি প্রায় এক সপ্তাহ ধরে পানিতে তলিয়ে রয়েছে। বর্তমানে এখানে খাদ্য এবং খাবার পানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে। শিশুরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে।”

জাদিমুড়া শালবন পাহাড়ের পাদদেশে আশ্রিত মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন, “শনিবার রাত থেকে ভারী বর্ষণে পাহাড়ি ঢলের পানি ঘরে ঢুকে পড়ে। এতে পরিবারের ৮ সদস্যর রাতে নির্ঘুম কাটাতে হয়েছে। ভূমিধসের ভয়ে পাহাড়ের পাদদেশের ঝুপড়ি ঘর ফেলে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছি।”

জাদিমুড়া রাস্তার পাশের রোহিঙ্গা শিবিরের মাঝি মোহাম্মদ একরাম বলেন, “কদিনের ভারী বৃষ্টিপাতে অনেকের বাড়ির ঘরের ত্রিপলের ছাউনি নষ্ট হয়ে গেছে। বৃষ্টি হলেই পানিতে ঘর ভিজে যায়। ফলে সন্তানদের নিয়ে বসে বসেই কাটাতে হয়।”

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল হাসান বলেন, “রোহিঙ্গারা পাহাড় ও বন কেটে ঝুপড়ি ঘর তৈরি করেছে, তাই ঝুঁকিটা বেশি। তবে ভারী বর্ষণে দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি রোহিঙ্গা সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “আশপাশের মসজিদ, সাইক্লোন শেল্টার, আশপাশের স্কুলের ভবন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”

আইওএমের ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার তারেক মাহমুদ প্রেরিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাঁচদিনের ভারি বর্ষণ এবং ঝড়ো হাওয়ায় উখিয়া-টেকনাফে ভূমিধসে ১ হাজার ১৮৬টি, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২১৬টি এবং ঝড়ো হাওয়ায় ১ হাজার ৮৪০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ১৫ হাজার ৫৩৪ জন রোহিঙ্গা। এছাড়াও ক্যাম্পগুলোতে ৩৯১টি ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে এবং ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে ৫১ বার।

পুরো চলতি সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টি এবং ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানায় আইওএম।

এদিকে পাহাড় ধসে মৃত্যু ঝুঁকি তৈরি হওয়ার প্রেক্ষিতে বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে প্রশাসন। শনিবার থেকে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে গত শনিবার থেকে তাৎক্ষণিক ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের সরিয়ে অন্য আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, কত সংখ্যক রোহিঙ্গা ভূমি ধসের ঝুঁকিতে আছে এবং কতজনকে সরানো হয়েছে সেটি তালিকা শেষে বলা যাবে। আপাতত যারা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে, দ্রুত সরানোর প্রক্রিয়া চলছে।

আবুল কালাম জানান, পাহাড়ি এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে বসবাস গড়ে ওঠায় ভারী বর্ষণে সেখানে ভূমি ধসের কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে। তবে এই বর্ষায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ে বিপাকে বাংলাদেশ

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী তিন মাসে মিয়ানমারে সেনা নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নেয় ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এদের মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা নারী গর্ভবতী অবস্থায় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এর আগে ১৯৬৮ সাল থেকে বাংলাদেশে আশ্রিত রয়েছে আরও অন্তত চার লাখ রোহিঙ্গা। নতুন করে অনুপ্রবেশের পর গত ২০ মাসে এখানে জন্ম নিয়েছে আরও প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শিশু। জানা গেছে, ক্যাম্পগুলোতে প্রতিদিন গড়ে জন্ম নিচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ শিশু।

এত সংখ্যক শিশুর জন্ম দেশের উপর বড় ধরনের একটি চাপের প্রভাব। ভবিষ্যতে এই চাপ ভয়াবহ আকারও ধারণ করতে পারে। এরপরেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। মিয়ানমারের সঙ্গে প্রত্যাবাসন চুক্তি হলেও এই নিয়ে দেশটি নীরব ভূমিকাই পালন করে যাচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ মিয়ানমারের উপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের উপরই নির্ভরশীল। আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমেই রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ।

কূটনীতিক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে অন্যথায় বাংলাদেশে জন্ম নেয়া এত সংখ্যক শিশু কিশোরদের নাগরিকত্ব নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে।

তারা বলছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া নিবন্ধনভুক্ত চার লাখ রোহিঙ্গা পরিবারে আরও এক লাখ শিশু জন্ম নিয়েছে। এছাড়া ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে যে সাত লাখ রোহিঙ্গা এসেছে এদের মধ্যেও ২ লাখ ৪০ হাজার শিশু-কিশোর রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর এক যুগ্ম সচিব বলেছেন, রোহিঙ্গাদের শিশু জন্ম দেয়ার ব্যাপারে উৎসাহ দিচ্ছে কিছু সংখ্যক এনজিও। তারা রোহিঙ্গা শিশুদের এবং মায়েদের জন্য সামান্য পরিমাণে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করছে।

নিজস্ব লাভের আশায় এ ধরনের উৎসাহ দিচ্ছে এনজিওগুলো। তারা মনে করছে, সন্তান হলেই তার জন্য আলাদা ভরণপোষণ পাওয়া যাবে। ফলে সরকারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে জন্ম নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হলেও তারা সেটি মানছে না।

অভিবাসন ও শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে দ্রুত দিকনির্দেশনা দেওয়া উচিত। এখন যেমন প্রাপ্তবয়স্কদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশন করা হচ্ছে, সেভাবে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া শিশুদেরও নিবন্ধন করা হবে কি না সে বিষয়ে সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তিনি বলেন, বাবা-মা রোহিঙ্গা হওয়ায় এ দেশে জন্ম নেওয়া তাদের শিশুরাও স্বাভাবিকভাবেই রোহিঙ্গা বা মিয়ানমারের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে। তারা এ দেশে জন্ম নেওয়ার সুবাদে জন্মসূত্রে বাংলাদেশি হবে না। তবে বর্তমান পরিস্থিতি একটু অন্যরকম। তারা এখানে অস্থায়ীভাবে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে আটকেপড়া বিহারিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আগপর্যন্ত তাদের বিহারি হিসেবেই আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সে সুযোগ নেই, এই শিশুরা রোহিঙ্গা হিসেবেই তালিকাভুক্ত হবে।’

আসিফ মুনীর বলেন, ‘যদি কোনো কারণে তাদের এই দেশে থেকে যেতেই হয়, তাহলে সেটা অনেক পরের বিষয়। এছাড়া মিয়ানমারের সঙ্গে যদি কখনো এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, তাহলে এসব শিশুর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত হবে, তা গুরুত্ব দিতে হবে। আবার যেসব শিশু বাবা-মা ছাড়া আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে এসেছে, তাদের কে গ্রহণ করবে, এসব বিষয়ও আলোচনায় থাকতে হবে। এখন পর্যন্ত মনে হয়, এই শিশুদের রোহিঙ্গা বা মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবেই দেখা হবে।’

তিনি বলেন, ‘যেসব শিশু বাংলাদেশে জন্ম নিচ্ছে, তাদের তালিকা তৈরি করা উচিত। নাগরিকত্ব নিয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সেই তালিকা যেন বাংলাদেশের কাছে থাকে। এসব শিশুর জন্ম তারিখ, ব্লাড গ্রুপ চেক করে রাখাসহ প্রয়োজনে তথ্য থাকা উচিত।’

রোহিঙ্গা শিশুরা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাবে কি না জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম বলেন, রোহিঙ্গা শিশুদের নাগরিকত্বের বিষয়ে এ মুহূর্তে কিছু বলা সম্ভব নয়। এটি পুরোপুরি সরকারের পলিসির ওপর নির্ভর করছে।

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব ও কূটনৈতিক বিশ্লেষক ওয়ালি উর রহমান বলেন, তাদের এ দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার কোনো সুযোগ এখনো নেই। তবে এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকেও কোনো নির্দেশনা নেই। ফলে পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে সরকারের পলিসির ওপর। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা না করলে আমাদের নাগরিক জীবনে ভয়াবহ চাপ পড়বে।

উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মঈনউদ্দিন বলেন, একটি ক্রাইটেরিয়া ছিল জন্ম নিবন্ধনের সার্টিফিকেটে একটি সিল থাকবে, সেখানে লেখা থাকবে তারা মিয়ানমারের নাগরিক। ওই জন্ম নিবন্ধনের কাজটাও চলছিল শুধু নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের জন্য। কিন্তু এই নিবন্ধিতদের বাইরেও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা ছিল, যাদের বিষয়ে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। এবার এই রোহিঙ্গা আসার পর থেকে কক্সবাজারের পুরো জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়াটাই বন্ধ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা রোহিঙ্গাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করছি আগে। এরপর সরকার যেভাবে নির্দেশনা দেবে, সেভাবেই কাজ হবে। তবে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুদের জন্ম নিবন্ধনের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো ইনস্ট্রাকশন নেই।

এদিকে রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজেও উদ্বিগ্ন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দিয়ে রোহিঙ্গা শিশুদের ওপর জরিপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় এনজিওদের কার্যক্রমের ওপরও নজর রাখতে বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী ব্রুনাই থেকে ফিরে সংবাদ সম্মেলনেও রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অধিক জন্মহারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এতে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। তাই দ্রুত এদের ভাসানচরে প্রত্যাবাসনের সমর্থন আদায় করতে হবে।

কক্সবাজার পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. পিন্টু কান্তি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, রোহিঙ্গারা যখন বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে আসে, তখন প্রথম তিন মাসে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল ৩৪ হাজার ৪৮০ জন গর্ভবতী নারীর। তার মধ্যে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব হয় সাড়ে পাঁচ হাজার শিশু আর বাকিগুলো হোম ডেলিভারি হয়।

আস/এসআইসু

Facebook Comments Box