পুলিশের নজরদারিতে রিফাত হত্যার সব আসামি : এসপি

247

মোঃ মেহেদী হাসান, বরগুনা

বরগুনা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মারুফ হোসেন জানিয়েছেন রিফাত শরীফ হত্যায় জড়িত সব আসামি পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে। তাছাড়া আসামিদের গ্রেফতারের স্বার্থেই একটু সময় নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে রিফাত ফরাজীর ফের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকেলে মোবাইল ফোনে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে দেওয়া তথ্য ও মামলার এজাহারে অনেক মিল রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে।
রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) হুমায়ুন কবির জানান, রিফাত হত্যা মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীর ফের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। নয়ন বন্ডের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের সময় উদ্ধার হওয়া অস্ত্র মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় আদালতে হাজির করে রিফাতের ফের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগেও রিফাত ফরাজী সাত দিনের রিমান্ডে ছিলেন।

তিনি আরও জানান, (২ জুলাই) নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি হত্যা ও একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করেছে। দু’টি মামলায় রিফাত ফরাজীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

(১ জুলাই) সোমবার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১১ নম্বর আসামি মো. অলিউল্লাহ অলি এবং ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা তানভীর একই আদালতে স্বেচ্ছায় রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

এরপর (৪ জুলাই) বৃহস্পতিবার রিফাত হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি চন্দন ও ৯ নম্বর আসামি মো. হাসানও একই আদালতে
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

(৫ জুলাই) শুক্রবার একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের ফুটেজ দেখে শনাক্ত হওয়া ও তদন্তে বেরিয়ে আসা অভিযুক্ত মো. সাগর ও নাজমুল হাসান।

এ মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রামদা উদ্ধার করেছে পুলিশ। মামলার ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় সন্দেহভাজন অভিযুক্ত সাইমুন ও রাফিউল ইসলাম রাব্বি এবং আরিয়ান শ্রাবণ পাঁচদিনের রিমান্ডে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

Facebook Comments