বটিয়াঘাটায় নদী ও খাল দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

167

আলোকিত সকাল ডেস্ক

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় ১৫টি নদী ও খাল অবৈধ দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব নদী ও খালে বাঁধ দিয়ে এবং আড়াআড়িভাবে পাটা বসিয়ে পানি প্রবাহের স্বাভাবিক গতি বিঘ্নিত করছে। ভরাটী নদীর বুক দখল করে গড়ে তুলেছে বহুতল ভবন। নদীগর্ভে বসান হয়েছে একাধিক গভীর নলকূল। বাঁশ দিয়ে পাটা তৈরি করে বসিয়ে মাছ চাষ চলছে।

নদী-খাল ও জলাশয় রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিভাষ মন্ডল বিষয়টি নিয়ে সোমবার বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এক লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বটিয়াঘাটা নদীতে মাটি ভরাট করে দুপারে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সরকারের অনুমতি ছাড়াই খোদ উপজেলা সদরের নদী এভাবে দখল হয়ে যাচ্ছে। নদীর পূর্ব মাথার বাঁধ থেকে শুরু করে নতুন বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার জায়গা রয়েছে দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে। আমতলা নদী, খড়িয়া-ছোট খড়িয়া নদী, নাইন খালী নদী, বরাখালী, গোগের খাল, মশিয়ার খাল, বটবুনিয়া খাল, বিশ্বাসের খাল, খেজুরতলা খাল, আমতলা ঘাটেরখাল, নোয়াপাখিয়া খাল, বাটকেমারী খাল, তেঁতুলতলা নদী, রুইতমারা খাল, মাগুরখালী-সুখদাড়া খালসহ শতাধিক নদী এবং খালে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে নেট-পাটা বসিয়ে অসংখ্য খালের প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করা হয়েছে। এসব নদী ও খাল এখন মৃতপ্রায়। এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি দিনের পর দিন নদী ও খালগুলো অবৈধভাবে দখলের পাঁয়তারা অব্যাহত রেখেছে।

বিষয়টি নিয়ে বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, বিভিন্ন নদী-খাল দখল করে ভবন তৈরি সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আস/এসআইসু

Facebook Comments