ভারত থেকে আরও ১ লাখ টন চাল কিনছে সরকার

6

দেশবার্তা নিউজ:ভারত থেকে আরও ১ লাখ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছেন সরকার।খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ভারতের এনসিসিএফ (ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ কনজুমার্স ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড) থেকে এই চাল ক্রয় করা হবে।

বুধবার অর্থনৈতিক ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দুটি প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন খাদ্য অধিদফতর কর্তৃক রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে চাল ও গম আমদানির লক্ষ্যে ক্রয় প্রক্রিয়ার সময় হ্রাস করার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি চাল আমদানির ক্ষেত্রে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধি সংশোধন আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয় ওই বৈঠক। বৈঠক শেষে চাল আমদানির বিষয়গুলো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কি না- সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভারত থেকে চাল আমদানি হবে। ওই প্রস্তাব আগামী সপ্তাহে নিয়ে আসবে। আইনি সক্ষমতার কিছু ঘাটতি ছিল। সেখানে বলা আছে যে টেন্ডারের বাইরে কম সময় দিয়ে কোনো জিনিস কিনতে পারব না। এটা ছিল অভ্যন্তরীণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে, এটা আসবে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চাল আমদানিতে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগকে (আইএমইডি) তাদের বিধিতে সংশোধনী আনতে বলেছি। বিধিতে সংশোধনী আসলে আমরা এই কাজটি করতে পারব।

মুস্তফা কামাল বলেন, আইএমইডি আমাদের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধি সময় সংক্রান্ত বিষয়টি সংশোধন করবে। অন্যকিছু না। অন্য কোনো জিনিস আমরা স্পর্শ করিনি। আন্তর্জাতিক টেন্ডার করার পরে ৪০ থেকে ৪২ দিন অপেক্ষা করার কথা বলা ছিল। কিন্তু কিছু পণ্য আছে যেমন পেঁয়াজ, চাল, তেল এ জাতীয় জিনিস আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিদিনই বাড়ে কমে। সেখানে এত লম্বা সময় কোনো টেন্ডার অপেক্ষা করে না। প্রাইস অ্যাকটিভ রাখার জন্য যে সময়টা যথাযথ মনে করি তা হচ্ছে ম্যাক্সিমাম ওয়ান উইক (কমপক্ষে এক সপ্তাহ)। উইদিন দিস টাইম (এই সময়ের মধ্যে) তারা প্রাইস জানাবে। আমরা আমাদের দিক থেকে প্রকিউরমেন্টের যেসব নিয়মকানুন আছে সেগুলো ফলো করব। এলসি খুলব, আরও যা যা করার দরকার সেগুলো করব। যাতে তারা যেন এগুলো দেখে হাতে নিয়ে তারপর শিপমেন্ট করতে পারে।

Facebook Comments