লক্ষ্মীপুরে এক ব্যাক্তিকে পিটিয়ে হত্যা, প্রতিবাদে ৬জনকে গণধোলাই

46

 

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবুল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যাক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ৬জনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। রবিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব বিজয় নগর এলাকার কিরনের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল স্থানীয় মৃত শহিদ উল্ল্যার ছেলে ও গাছ ব্যবসায়ী। তার মরদেহ লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। গণধোলাইয়ের শিকার ৬জন ও প্রতিপক্ষের হামলায় আহত -১ জনসহ ৭ জনকে পুলিশি পাহারায় একই হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার বিজয় নগর গ্রামের নাপিত বাড়ির সোহেলের স্ত্রী লিপি আক্তারকে কু প্রস্তাব দেয় পাশ্ববর্তী এলাকার মৎস্য চাষী শহীদ। এতে রাজি না হওয়ায় লিপি ও সোহেলের ভাগিনা রাসেলকে জড়িয়ে কুৎসা রটনা রটায় শহীদ। বিষয়টি জানতে পেরে সোহেল ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে শহীদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করে। এতে বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা বাবুলকেও মারধর করে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবুলকে মৃত ঘোষনা করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে সোহেলসহ ৬ সন্ত্রাসীকে ঘেরাও করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া জানান, দু’পক্ষের মারামারির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ৬জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভক্সপপ : প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজন।
সিঙ্ক : একে এম আজিজুর রহমান মিয়া, ওসি,

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাবুল হোসেন (৫০) নামের এক ব্যাক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ৬জনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। রবিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব বিজয় নগর এলাকার কিরনের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল স্থানীয় মৃত শহিদ উল্ল্যার ছেলে ও গাছ ব্যবসায়ী। তার মরদেহ লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। গণধোলাইয়ের শিকার ৬জন ও প্রতিপক্ষের হামলায় আহত -১ জনসহ ৭ জনকে পুলিশি পাহারায় একই হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার বিজয় নগর গ্রামের নাপিত বাড়ির সোহেলের স্ত্রী লিপি আক্তারকে কু প্রস্তাব দেয় পাশ্ববর্তী এলাকার মৎস্য চাষী শহীদ। এতে রাজি না হওয়ায় লিপি ও সোহেলের ভাগিনা রাসেলকে জড়িয়ে কুৎসা রটনা রটায় শহীদ। বিষয়টি জানতে পেরে সোহেল ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে শহীদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করে। এতে বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা বাবুলকেও মারধর করে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবুলকে মৃত ঘোষনা করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে সোহেলসহ ৬ সন্ত্রাসীকে ঘেরাও করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া জানান, দু’পক্ষের মারামারির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ৬জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Facebook Comments