সেরা ১০ মুহূর্ত বিশ্বকাপের

382

আলোকিত সকাল ডেস্ক

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে গত ৩০ মে বসেছিল ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় যজ্ঞ দ্বাদশ বিশ্বকাপ। গত ১৪ জুলাই ইংল্যান্ডের শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে অভিজাত এই টুর্নামেন্টের। প্রথমবারের মতো ক্রিকেট বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ড।

দীর্ঘ দেশ মাসের এই টুর্নামেন্টে লিগ পর্ব ও ফাইনাল-সেমিফাইনাল নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল মোট ৪৮টি ম্যাচ। এই ম্যাচগুলো মধ্যে হাজারো মুহূর্ত থেকে সেরা ১০ মুহূর্ত খুঁজে বের করেছে ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো।

চলুন এক নজরে দেখে নিই বিশ্বকাপের সেরা ১০ মুহূর্তগুলো :

বল টেম্পারিংয়ের দায়ে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক স্টিভেন স্মিথ। ভারত- অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে দুয়োধ্বনি শোনাচ্ছিল গ্যালারির দর্শকরা। ব্যাটিং থামিয়ে স্মিথের পাশে এসে দাঁড়ান ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। দর্শকদের বলেন দুয়োর বদলে স্মিথের জন্য তালি বাজাতে।

কাকতালীয়ভাবে লিগ পর্বে পাকিস্তানের ম্যাচগুলোর ফলাফল হুবহু মিলে যাচ্ছিল ১৯৯২ বিশ্বকাপের সঙ্গে। সেবারের মত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে না পারলেও এ বিষয়টি ঠাঁই করে নিয়েছে সেরা মুহূর্তের তালিকায়।

দীর্ঘ আট মাস পর উইন্ডিজদের বিপক্ষে বল হাতে নেমেছিলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। এসেই ক্রিজে থাকা সেঞ্চুরিয়ান নিকোলাস পুরানকে আউট করে লঙ্কানদের জয়ের নায়ক বনে যান তিনি। যা আছে সেরা মুহূর্তের তালিকার ৮ নম্বরে।

তালিকার ৭ নম্বরে আছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ ওভারে ১১০ রান দিয়ে আফগানিস্তানের স্পিনার রশিদ খানের বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে খরুচে বোলার হওয়ার ঘটনাটি।

ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া লিগ পর্বের ম্যাচে বেন স্টোকসকে বোল্ড করতে ঘণ্টায় ৯০ মাইল বেগের ইয়র্কার ছোঁড়েন মিচেল স্টার্ক। এটি আছে তালিকার ৬ নম্বরে।

এক বিশ্বকাপে রেকর্ড ৫ সেঞ্চুরি হাঁকান ভারতের ওপেনার রোহিত শর্মা। এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের এই কীর্তি আছেন তালিকার পাঁচে।

এক বিশ্বকাপে ৬০৬ রান আর ১১ উইকেট। ক্রিকেট ইতিহাসে ধারে কাছেও কেউ নেই বাংলাদেশের ক্রিকেটের বরপুত্র সাকিব আল হাসানের। টাইগারদের ওয়ান ম্যান আর্মির এই অর্জনটি উঠে এসেছে বিশ্বকাপের সেরা মুহূর্তের চার নম্বর স্থানে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য এক ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান কার্লোস ব্রাথওয়েট। তবে, মাত্র ৫ রান দূরে থাকতে দারুণ এক ক্যাচে তাকে ফেরান ট্রেন্ট বোল্ট। এটি আছে সেরা তিনে।

সেমিফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের ফাইনালে যাবার টিমটিমে আশাটা বেঁচে ছিলো অভিজ্ঞ ধোনী ক্রিজে থাকায়। কিন্তু মার্টিন গাপটিলের সরাসরি থ্রোতে তাও নিভে যায়। যা আছে তালিকার দুই নম্বরে।

লর্ডসে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ফাইনালে সুপার ওভারের প্রতিটি বলেই ছিল রোমাঞ্চ। শেষ পর্যন্ত বাউন্ডারির ভিত্তিতে চ্যাম্পিয়ন হয় ইংলিশরা। এটি আছে ক্রিকইনফোর সেরা দশের শীর্ষে।

আস/এসআইসু

Facebook Comments