October 19, 2026, 12:38 pm | Converter

রমজানের আগে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, ভোক্তাদের উদ্বেগ

Deshbarta Report
  • Update Time : Saturday, January 17, 2026,

রমজান মাসকে সামনে রেখে দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে চাল, ডাল, চিনি ও মুরগির দাম সাম্প্রতিক সময়ে ঊর্ধ্বমুখী।

বাজারে আমন মৌসুমের চাল আসতে শুরু করেছে বেশ কিছুদিন ধরেই। এমন সময়ের মধ্যে পুরোনো বিভিন্ন ধরনের চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। বিভিন্ন ধরনের ডালের দামও ২-৩ সপ্তাহ ধরে বাড়তি রয়েছে। আর প্রায় ৩-৪ মাস ধরে শতকের নিচে থাকা চিনির দামও প্রতিকেজি ১০০ টাকার উপরে উঠেছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন মাঝারি চালের (বিআর-২৮, ২৯ ও পাইজাম) কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে একই মানের পুরোনো চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। আর মানভেদে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮৬ টাকা পর্যন্ত; যা ৮-১০ দিন আগে ৪-৫ টাকা কম দামে পাওয়া যেতো।

বাজারে প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চালের দাম ৩-৪ টাকা বেড়ে ৮৩-৮৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রশিদ মিনিকেটের দাম ৭২ টাকা থেকে বেড়ে ৭৫ টাকা, নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় এবং দামি মিনিকেট মোজাম্মেলের দাম কেজিতে ১-২ টাকা বেড়ে ৮৫-৮৬ টাকা হয়েছে।

একইভাবে বেড়েছে নাজিরশাইল চালের দামও। ধরনভেদে দেশি নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে; যা ৮-১০ দিন আগে ৭০ থেকে ৮২ টাকায় পাওয়া যেত। আর এসময়ে আমদানি করা নাজিরশাইলের দাম কেজিতে ৩ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা হয়েছে।

বিক্রেতারা জানান, নতুন মৌসুমে আউশ, আমন ও নাজিরশাইল চাল বাজারে আসতে শুরু করলেও সরবরাহ বাড়ার আগেই পুরনো চালের দাম বেড়েছে; যা ভোক্তাদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। আসন্ন রমজান মাসেও চালের দাম বাড়তি থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

এদিকে রোজার মাসখানেক আগেই চিনি ও ডালজাতীয় পণ্যের বাজার কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী। গত ১৫ থেকে ২০ দিনে চিনির কেজিতে পাঁচ থেকে ১০, আর অ্যাংকর ডালের কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে।

গত কয়েক মাস অনেকটা স্থিতিশীল ছিল চিনির বাজার। দাম কমে এক পর্যায়ে খোলা চিনির কেজি ৯০ টাকায় নেমেছিল। তবে সপ্তাহ দুয়েক আগে পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে ফের ১০০ টাকায় উঠেছে চিনির কেজি। আর প্যাকেট চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকা দরে।

অ্যাংকর ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়; যা আগের সপ্তাহে ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। অর্থাৎ এক সপ্তাহে অ্যাংকর ডালের কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে। অ্যাংকরের পাশাপাশি ছোট দানার মসুর ডালের দামও কিছুটা বেড়ে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে মোটা দানার মসুর ডালের দাম কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বেশ কয়েক মাস ধরে মুরগির বাজার সহনীয় পর্যায়ে ছিল। দীর্ঘ সময় পর ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৭৫ টাকা দরে। আর সোনালি জাতের মুরগি কিনতে ক্রেতাকে কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

More..
Archive
© All rights reserved © deshbarta.ca 2025

Developer Design Host BD